New York, I Love You (2008)- Review

Directors- Faith Akin, Yvan Attal, Randall Balsmeyer, Allen Hughes, Shunji Iwai, Wen Jiang, Shekhar Kapur, Joshua Marston, Mira Nair, Natalie Portman, Brett Ratner

new-york-i-love-you-1

This is the second anthology film in the ‘City of Love’ series, first one being the quite well-known ‘Paris, Je t’aime’. Movie’s a visual treat, the directors made sure that every frame affirmed the theme of the anthology- Love, and of course, New York. Since the film includes an assortment of stories and artists, you can’t really judge it based on one or two segments. Again, the directors made an effort to give us a seamless experience, so the characters from different segments would in some places meet and exchange words. But each segment has its own flavor, as their crew and casts are different. Continue reading “New York, I Love You (2008)- Review”

Advertisements

একটি আষাঢ়ে গল্প (মূল: ও’ হেনরি)

অস্টিনের দক্ষিণে একসময় বাস করত স্মদারস নামে এক গেরস্ত পরিবার। পরিবারে ছিল জন স্মদারস, তার স্ত্রী, পাঁচ বছরের এক ছোট্ট মেয়ে ও তার বাবা-মা। মোটের ওপর ধরলে পরিবারটি শহরের জনসংখ্যায় ছ’ জন মানুষ যুক্ত করে, যদিও এই গল্পের চরিত্রসংখ্যা মূলত তিন।

এক রাতে খাবার পর ছোট্ট মেয়েটার প্রচন্ড পেটব্যাথা শুরু হলে জন স্মদারস তড়িঘরি করে বেরিয়ে গেল ওষুধ আনতে।

আর ফিরে এল না।

ছোট্ট মেয়েটির অসুখ ভাল হয়ে গেল। সময়ের সাথে সে-ও বড় হতে লাগল।

মেয়েটির মা স্বামীর অন্তর্ধানে বেশ কাতর হয়ে পড়ল, তারপর প্রায় তিন মাসের মধ্যেই আরেকটা বিয়ে থা করে চলে গেল সান আন্তোনিওতে।

মেয়েটিও সময় এলে বিয়ে করল এবং কয়েক বছর ঘুরতে না ঘুরতেই তার নিজের মেয়ের বয়সই হয়ে দাঁড়াল পাঁচ বছর।

মেয়েটি এখনও যে বাড়িতে থাকা কালে তার বাবা চলে গিয়েছিল, আর ফিরে আসেনি, সেখানেই বসবাস করে।

এক রাতে এক আশ্চর্য্য কাকতালে তার ছোট্ট মেয়েটির প্রবল পেটপীড়া শুরু হল জন স্মদারসের তিরোধান-বার্ষিকীতে। খেয়ে-পড়ে বেচে থাকলে তিনি এতদিনে দাদুভাইয়ে পরিণত হতেন।

“আমি শহরে যাচ্ছি ওষুধ আনতে,” বলল জন স্মিথ (মেয়েটির স্বামীর নামও তাই কি না)।

“না, না, জন,” আতংকে চিৎকার করে ওঠে তার স্ত্রী। “তুমিও হারিয়ে যাবে শেষে, আর কোনদিন ফিরে আসবে না।”

তো জন স্মিথ আর গেল না, দুজনে মিলে ছোট্ট প্যান্সির শিয়রে বসে রইল (ওটাই প্যান্সির নাম ছিল)।

কিছুক্ষণ পর প্যান্সির অবস্থা আবারও খারাপ হলে জন স্মিথ ফের ওষুধ আনতে যাবার উদ্যোগ নিল। কিন্তু তার স্ত্রী তাকে কিছুতেই যেতে দিতে রাজি নয়।

সহসা দরজাটা খুলে গেল এবং বয়সের ভারে নুয়ে পড়া, সাদা-চুলো এক বৃদ্ধ ঘরে প্রবেশ করল।

“এই ত দাদু এসে গেছে,” বলে উঠল প্যান্সি। সবার আগে সে-ই আগন্তুককে চিনে ফেলেছে। বৃদ্ধটি তার পকেট থেকে ওষুধের একটা শিশি বের করে প্যান্সিকে এক চামচ খাইয়ে দিল।

মেয়েটি সাথে সাথে ভাল হয়ে উঠল।

“স্ট্রিটকারের অপেক্ষায়,” বলল জন স্মদারস, “একটু দেরি হয়ে গেল”।

 

 

এটি কোন কবিতা নয়/ This Is Not A Poem

(এটা যখন লিখি প্রতিকবিতার নামটাও জানা ছিল না। তবে এটা সে অর্থে হয়ত প্রতিকবিতা নয়ও। নামটা তবুও অন্যথা বলে। প্রথমে ইংরেজিতে লেখা হয়েছিল। পরে কি ভেবে বাংলা করে ফেলি দ্রুত।)

এটি কোন কবিতা নয়। তবু কাব্য আমাকে স্মরণ করে এ প্রলাপ লেখার ক্ষণে। এবং তা লিখিত হয় আমার শোণিতে। আমি শুধু সাবধানে, খুব সাবধানে আমার মাথার সামনটা চিরে ফেলি। Continue reading “এটি কোন কবিতা নয়/ This Is Not A Poem”

A pleasant talk

Then we talked about death over a cup of tea.
Before that, life, avec the first cup.
Fathomless chaos, wouldn’t you say?
The cup still warm, zephyr breathing deep into the cabin.
The smell of lemongrass peeling away from the walls,
Though the light still clung the labyrinthine passages.
Another spoon of sugar went, a small whirlpool of images-
Not sweet enough to soak the mordant tongues.
Still we drank with relish, ate the dry butterflies
Falling from the muslin skies.

It came up pretending to be just another wave.
No, pretensions were over. Its masks were worn-out long before,
faces now beginning to show.
We discussed its cheekbones, the shrill eyes it had,
While the cinnamon aroma went up our nostrils
And said it had a strange smile smeared on its shapeless lips.

The beaches grew more distant, a façade of vagueness
gradually wrapped us around.
Insulated within the frozen cocoons, we sipped tea
And discussed weather and death.