Ruminations (1)

It often occurs, on days experiencing excruciating languor, that life is sort of a huge drag. This drag that drags you along until finish, also appears to fail to provide a solid reason to push on. In these colorless moments then the senses may become sharper. As I watch the mundane show on my luminescent screen, as this ominous fog slowly sets in, a fleeting scene of humor made me jerk out of laughter. Then it took form, a shady realization that I manage to come upon every now and then. Art, something that I call ‘beautiful mendacity’, gives us purpose. It creates beauty out of misery, misery out of beauty. It gives things meaning, for better or for worse. Meaning, our salvation that we crave so much. We, the miserable paupers scavenging the far reaches of this earth for a little bit more time, time fulfilled of meaning.

 

November/ 11/ 2017

Savar, Dhaka

Advertisements

শব্দগুলো

শব্দগুলো আস্তে-যত্নে ঝরাও,

বেমক্কা লেগে গেলে ফুটতে পারে সুরভ বকুল

কেটে যেতে পারে প্রেতিনীর ডানা, খসে খসে

পড়তে পারে জমাট পলেস্তারা, একটু অসাবধান

হলেই কুড়ি গজিয়ে ঝলমলে দুলতে পারে

দ্রোহী গোলাপ।

শব্দগুলো যত্নে-ধীরে ঢালো,

যেন আগুন মৃত চিতার না বাড়ায় আকাঙ্খা,

ঘুমন্ত দু-মুখো সারমেয়ের ঘুম না ভাঙে,

যেন না কাটে এই পারস্পরিক ঢেউ, কিংবা

কালো বনের অখন্ড থিরতা, বেড়িবাঁধের নিচে

বয়ে চলা অবিরাম উষ্ণ প্রস্রবণ।

শব্দের খোলস ছেড়ে উড়াল দিলে পরে দানবীয় পাখি,

ফসকে যাবে হাজার অব্যর্থ তীর!

তাই,

শব্দগুলো বেছে বেছে তোল,

লোপাট করে দাও ওদের জন্মের ইতিহাস:

কার্তুজটা রেখে দিয়ে বারুদ ঢেলে নিও।

 

———

ঢাকা, ডিসেম্বর, ২০১৪

তালপাতার তোতা

তালপাতার তোতা কথা কয় না

তার শরীরের সবুজ বুনোটের পরতে পরতে

নিবিড় আঁধার জমে থাকে,

যবে থেকে বাদামী কাঠিতে বিব্ধ শিঁরদাড়া-

যন্ত্রণা দেয় বড়।

তোতার তেকোনা ঠোঁটে নীলরক্ত ঝোলে।

 

বিষন্ন বালিকার হাতে তবু ছিল রোদ্দুর

অন্যান্য আরো দশ তোতার ভিড়ে অলখে হারিয়ে ছিল

তবু বেশ। বালিকার কাঁকালের পেট-ফোলা শিশুটির

অকারণ কান্নায় মিশেছিল খুশি হয়ে তারটাও।

কাঠির দোলায় দোলায় ধীরে নীল থেকে সবুজ-

বালিকার পায়ের ছন্দে ক্ষুধার তাড়া-

ওদের হাতবদলের পালা আসে কাঠি ধরে ধরে।

 

ঝুঁটির টানে ঘুম কাড়লে তোতার তেকোনা মাথার

প্রশ্নবিব্ধ হয়ে কাঠিতে হাতটা সজোড়ে চেপে বসে বলে

তোতা সমস্ত শক্তি এক করে ডাকলেও তাকায় না নিম গাছের

শতটুকরো ছায়াটাও। তালপাতার তোতা ভয়ে কিংবা বাতাসে কেঁপে কেঁপে ওঠে।

মিশেল সবুজ পুচ্ছ ভয়ে অথবা বাতাসে তাকায় আশেপাশে।

নিপুণ ছাঁটা ডানায় ভয়ে বা বাতাসে কি প্রলয় যেন ওঠে।

তবু সে ওড়ে না।

তালপাতার তোতাদের ওড়ার অধিকার নেই বলেই হয়ত।

 

তালপাতার তোতা আর রা- টি করে না,

শরীরে তার সবুজ আঁধার ঘন হয়ে ওঠে-

জন্মের নিদারূণ ক্ষণে দেখা সে মলিন মুখ,

তার প্রশান্ত সৃষ্টিসুখ

তোতার দেহের বুনোটে বুনোটে গাঁথে যে অমর ব্যথা-

তা কি তার শিঁরদাড়ার জান্তব ব্যথার সমতুল নয়?

ধুলোমলিন টেবিলে সবুজ থেকে ক্রমশঃ বাদামি হতে হতে

তোতার দীর্ঘশ্বাসে নিরন্তর সেই বিচ্ছেদব্যথা বাজে।

 

———-

ঢাকা, ২৬।৬।‘১১